লেবু খাওয়ার সময় আমরা সাধারণত রসটুকু ব্যবহার করি, আর খোসা ফেলে দিই। অথচ লেবুর খোসায় রয়েছে বেশ কিছু উপকারী উদ্ভিজ্জ যৌগ, যার মধ্যে ফ্ল্যাভোনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন সি এবং লিমোনিন উল্লেখযোগ্য। এসব উপাদানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা হয়েছে।
বিশেষ করে লেবুর খোসায় থাকা কিছু ফ্ল্যাভোনয়েড ও লিমোনিন নিয়ে ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-ভিত্তিক গবেষণায় ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
তবে এখানেই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় রয়েছে—লেবুর খোসা খেলে মানুষের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়, এমন শক্ত ও নিশ্চিত ক্লিনিক্যাল প্রমাণ এখনো নেই। তাই এটিকে ক্যানসার প্রতিরোধের কোনো চিকিৎসা বা নিশ্চিত উপায় হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।
কীভাবে খাওয়া যায়?
ভালোভাবে ধুয়ে লেবুর খোসা অল্প পরিমাণে কুরিয়ে সালাদ, স্যুপ, চা, রান্না বা বিভিন্ন খাবারে যোগ করা যেতে পারে। খোসা ব্যবহারের আগে পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি।
মনে রাখা দরকার
ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধূমপান ও তামাক এড়িয়ে চলা, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত শাকসবজি ও ফল খাওয়া এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা বা সীমিত করা।
লেবুর খোসা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু শুধু লেবুর খোসা খেলেই ক্যানসার প্রতিরোধ হবে—এমন দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে সমর্থিত নয়।
তথ্য সূত্র: পোটেনশিয়াল ক্যানসার প্রিভেনশন এজেন্টস