চিয়া সিডকে অনেকেই স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখেন। এতে ফাইবার, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যালসিয়ামসহ নানা পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এক টেবিল চামচ চিয়া সিডে প্রায় ৪ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যায়।
১. যাদের গিলতে সমস্যা আছে: চিয়া সিড তরলের সংস্পর্শে এলে জেলির মতো ফুলে যায়। তাই শুকনো চিয়া সিড সরাসরি খেয়ে পানি পান করা উচিত নয়। যাদের গিলতে সমস্যা, খাদ্যনালিতে সংকোচন বা অন্য কোনো swallowing disorder আছে, তাদের বিশেষভাবে সতর্ক হওয়া দরকার।
২. যাদের পেটে গ্যাস বা ফাঁপাভাব হয়: চিয়ায় প্রচুর ফাইবার থাকায় হঠাৎ বেশি পরিমাণে খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। তাই নিয়মিত না খেলে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ানো ভালো।
আরও পড়ুন: ৩০ বছর বয়স হয়ে গেলে যে কাজগুলো করবেন না
৩. যারা পর্যাপ্ত পানি পান করেন না: চিয়ার ফাইবার ঠিকভাবে সহ্য করার জন্য পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। চিয়া খেয়ে পানি কম পান করলে পেটের অস্বস্তি বা কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়তে পারে।
৪. যারা নিয়মিত ওষুধ খান: অতিরিক্ত ফাইবার কিছু ওষুধের শোষণে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত ওষুধ সেবন করলে চিয়া সিড নিয়মিতভাবে খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
৫. যাদের কোনো নির্দিষ্ট হজম বা খাদ্যনালির সমস্যা রয়েছে: খাবার গিলতে সমস্যা, খাদ্যনালিতে বাধা বা দীর্ঘদিনের হজমের সমস্যা থাকলে নিজের ইচ্ছায় চিয়া সিড শুরু না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
আরও পড়ুন: হার্ট অ্যাটাকের আগে শরীর কোন কোন ইঙ্গিত দেয়?
তাহলে কীভাবে খাবেন?
চিয়া সিড আগে পানিতে বা অন্য কোনো তরলে ভিজিয়ে নিন। অন্তত কিছুক্ষণ ভিজিয়ে জেলির মতো হয়ে গেলে খেতে পারেন। প্রথমবার হলে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করুন এবং শরীরের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন। চিয়া সিড পুষ্টিকর হলেও এটি কোনো রোগের চিকিৎসা নয়।
তথ্যসূত্র: হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং