ঋতুর পালাবদলে সামনে আসছে শীত। যদিও প্রকৃতিতে এখনো শীতের তেমন সাড়াশব্দ মেলেনি, তবু ঋতু বদলের আগাম প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। বিশেষ করে যাদের শখের বারান্দা বাগান রয়েছে, তাদের জন্য বাগানটাকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার সময় তো এখনই।
কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকাল, হাতে এক কাপ ধুম্রমান্য
চা আর বারান্দাজুড়ে রঙিন ফুল—ভাবনাটাই যেন মন ভালো করে দেয়। গোলাপ, গাঁদা,
পিটুনিয়া কিংবা চন্দ্রমল্লিকা ফুলে যখন বারান্দা ভরে উঠবে, তখন সেই সৌন্দর্য উপভোগ
করতে চাইলে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে এখন থেকেই। শুধু কি ফুল?
নিজের বারান্দায় এক কোণে সবুজ হয়ে বেড়ে উঠছে ধনেপাতা,
পালংশাক, টমেটো কিংবা মরিচগাছ। এসব ফলানোর দারুণ সময় শীতকাল। কল্পনায় দেখা এমন মন ভালো
করা দৃশ্য দেখতে চাইলে শীতের অপেক্ষায় বসে থাকলে চলবে না, প্রস্তুতি শুরু করতে হবে
এখন থেকেই।
শীত আসলেই তখন ফুল আর সব্জীর গাছ রোপন করলে
সঠিক সময়ে সঠিক রেজাল্ট পাবেন না। সঠিক প্রস্তুতি আর একটু বাড়তি যত্নই পারে শীতে আপনার
সবুজকে সতেজ রাখতে। চলুন, জেনে নিই শীতের আগে বারান্দা, মাটি ও গাছের সম্পূর্ণ যত্নের
সহজ নিয়মগুলো।
আরোও পড়ুন: মনের প্রশান্তি দেবে ভার্টিক্যালগার্ডেন
বারান্দা প্রস্তুত করুন: গাছ লাগানোর আগে বারান্দা পরিষ্কার ও গুছিয়ে নেওয়া একটি দারুণ সিদ্ধান্ত। এতে বাগান করার পর বারান্দা যেমন পরিচ্ছন্ন দেখাবে, তেমনি গাছের পরিচর্যা করাও সহজ হবে। সবার প্রথমেই যেটা সবচেয়ে বেশি জরুরি তা হলো অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরানো। বারান্দায় জমে থাকা পুরনো ভাঙা টব, খালি বোতল বা অব্যবহৃত জিনিসপত্র সম্পূর্ণ সরিয়ে ফেলুন। এরপর সাবান পানি বা লিকুইড ডিটারজেন্ট দিয়ে বারান্দার মেঝে ও দেয়াল ভালো করে ধুয়ে নিন। যদি মেঝের কোণায় শ্যাওলা জমে থাকে, তবে ব্লিচিং পাউডার বা ভিনেগার ব্যবহার করে তা পরিষ্কার করুন।
নতুন গাছ আনার আগে বারান্দায় থাকা গাছগুলোর
দিকে নজর দিন। কোন গাছ ভালো আছে, কোনটির পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে, কোথাও ডাল শুকিয়ে গেছে
কি না কিংবা পাতার নিচে পোকামাকড় বাসা বেঁধেছে কি না, পরীক্ষা করুন। অর্থাৎ, পুরোনো
গাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন।
গাছের শুকনো পাতা, মরা ডাল ও ঝরে যাওয়া ফুল
সরিয়ে ফেলুন। তবে গাছের সব হলুদ পাতা একসঙ্গে কেটে দেবেন না; আগে সমস্যার কারণ বোঝার
চেষ্টা করুন। কোনো গাছের গোড়া নরম হয়ে গেলে বা মাটি থেকে দুর্গন্ধ এলে শিকড় পচে যাওয়ার
আশঙ্কা থাকতে পারে।
আক্রান্ত গাছকে সম্ভব হলে অন্য গাছ থেকে
কিছুটা আলাদা রাখুন। এতে পোকামাকড় বা রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো যায়। পুরোনো গাছগুলো
সুস্থ করে তুলতে পারলে নতুন গাছের জন্যও জায়গা তৈরি হবে।
রোদ ও বাতাসের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করুন।
গাছ সাজানোর আগে ২-৩ দিন খেয়াল করুন বারান্দার কোন অংশে সকালের রোদ আসে, কোথায় সারাদিন
রোদ থাকে আর কোন দিকটায় শুধুই ছায়া। শীতে দিন ছোট হয়ে যায় ও সূর্যের আলো তীব্র হয়
না। তাই যে অংশটুকুতে বেশি রোদের দেখা মেলে সেই জায়গায় শীতের ফুল ও সবজি গাছের জন্য
জায়গা বরাদ্দ রাখুন। গাঁদা, পিটুনিয়া, ডালিয়া, টমেটো ও মরিচের মতো গাছ সাধারণত পর্যাপ্ত
আলো পছন্দ করে। অন্যদিকে কিছু শাকপাতা অপেক্ষাকৃত কম আলোতেও বেড়ে উঠতে পারে। তবে প্রতিটি
গাছের জাতের চাহিদা এক নয়। তাই সেই হিসেবে গাছ রাখার পরিকল্পনা করুন।
গাছের গায়ে যেন ঠান্ডা বাতাস না লাগে, সেজন্য
বারান্দার ধার পাতলা প্লাস্টিক বা ফাইবারের শিট দিয়ে ঘিরে দিতে পারেন । এতে খুব ঠান্ডা
পড়লে গাছগুলোতে সরাসরি হাওয়া লাগবেনা।
বারান্দা খুব বেশি বড় না হলে, জায়গার সঠিক
ব্যবহার ও লেআউট পরিকল্পনা করুন। বারান্দার মেঝেতে জায়গা কম থাকলে দেয়াল বা গ্রিল ব্যবহার
করুন। এক্ষেত্রে ভার্টিকেল গার্ডেন খুবই চমৎকার একটি পরিকল্পনা হতে পারে। কিভাবে করবেন,
তার আইডিয়া পেতে "মনের প্রশান্তি দেবে ভার্টিক্যাল গার্ডেন" শিরোনামে লেখা
পড়ে দেখতে পারেন।
মোটকথা, মেঝেতে এলোমেলোভাবে টব না রেখে লোহার
বা কাঠের প্ল্যান্ট স্ট্যান্ড, গ্রিলে ঝুলন্ত টব ব্যবহার করতে পারেন। রেলিংয়ে টব বসালে
সেগুলো যেন শক্তভাবে আটকানো থাকে, সেটি নিশ্চিত করুন।
আরোও পড়ুন: ছোট রান্নাঘরকে দিন বড় ও বিলাসবহুললুক
গাছে পানি দেওয়ার পর সেই পানি গড়িয়ে যেন
বারান্দায় জমে না থাকে সেদিকেও লক্ষ্য রাখুন। বারান্দার ড্রেনেজ হোল বা পানি বের হওয়ার
পথটি পরিষ্কার রাখুন। এছাড়াও, মেঝের প্লাস্টার বা টাইলস সুরক্ষার জন্য প্রতিটি টবের
নিচে একটি করে প্লাস্টিকের প্লেট বা ট্রে রাখুন। এতে অতিরিক্ত পানি মেঝেতে ছড়াবে না
এবং মেঝে নোংরা হবে না।
টবের মাটি প্রস্তুত করুন: শীতের বাগান প্রস্তুতির
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি হলো মাটি তৈরি করা। মাটি খুব শক্ত বা এঁটেল হলে
শিকড় সহজে ছড়াতে পারে না। আবার মাটি অতিরিক্ত বালুময় হলে পানি ও পুষ্টি ধরে রাখার ক্ষমতা
কমে যেতে পারে।
শীতে গাছের বৃদ্ধি ধীর হয়। তাই টবের জন্য
এমন মিশ্রণ তৈরি করুন, যা ঝুরঝুরে, পানি ধরে রাখতে সক্ষম এবং অতিরিক্ত পানি সহজে বের
করে দিতে পারে।
একটি সাধারণ পটিং মিক্স তৈরিতে ব্যবহার করতে
পারেন—
বাগানের মাটি: প্রায় ৪০ শতাংশ।
জৈব সার (ভার্মিকম্পোস্ট/কেঁচো সার বা ভালোভাবে পচানো গোবর
সার): প্রায় ৩০ শতাংশ।
কোকোপিট: প্রায় ২০ শতাংশ।
মোটা বালি: প্রায় ১০ শতাংশ। এটি মাটি ঝুরঝুরে রাখবে এবং পানি
জমতে দেবে না।
এটি একটি প্রাথমিক মিশ্রণ, সব গাছের জন্য
বাধ্যতামূলক অনুপাত নয়। বাগানের মাটির ধরন, টবের আকার এবং গাছের চাহিদা অনুযায়ী উপকরণের
পরিমাণ বদলাতে পারেন। মাটি খুব এঁটেল হলে ঝুরঝুরে করার দিকে বেশি মনোযোগ দিন। কোকোপিট
ব্যবহার করলে সেটি পরিষ্কার ও উপযুক্ত মানের কি না নিশ্চিত করুন।
পোকা ও ছত্রাক দূর করার উপাদান (ঐচ্ছিক কিন্তু
কার্যকরী) হিসেবে মাটির সাথে নিচের উপাদানগুলো সামান্য পরিমাণে মিশিয়ে নিলে গাছে রোগবালাই
হবে না:
নিম খৈল: মাঝারি সাইজের ১টি টবের মাটির জন্য
২ চামচ। এটি মাটির ক্ষতিকর পোকা ও কৃমি দূর করে।
ছত্রাকনাশক: হাফ চামচ ফাঙ্গিসাইড পাউডার
(যেমন: সাফ বা ব্যাভিস্টিন) অথবা প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো ও এক
মুঠো কাঠের ছাই মেশাতে পারেন।
পুরোনো মাটি ব্যবহার করতে চাইলে আগে তা পরীক্ষা
করুন। মাটি থেকে দুর্গন্ধ বের হলে, তাতে রোগাক্রান্ত শিকড় থাকলে কিংবা অতিরিক্ত লবণ
জমার সন্দেহ হলে সরাসরি নতুন গাছ লাগাবেন না। প্রয়োজন অনুযায়ী মাটি বদলান বা নিরাপদভাবে
পুনরায় প্রস্তুত করুন।
আরেকটি বিষয় মনে রাখবেন, পুরনো না হয়ে কাঁচা
গোবর বা আধাপচা জৈব পদার্থ টবে ব্যবহার করবেন না। এগুলো শিকড়ের ক্ষতি করতে পারে এবং
রোগজীবাণু বা পোকামাকড়ের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
মাটি প্রস্তুত করার ধাপগুলো:
১. সংগ্রহ করা সাধারণ মাটি ২-৩ দিন কড়া রোদে
ভালো করে শুকিয়ে নিন। এতে মাটির ভেতরের ব্যাকটেরিয়া ও পোকার ডিম মরে যাবে। শুকানোর
পর বড় মাটির চাকাগুলো গুঁড়ো করে চালুনি দিয়ে ছেঁকে পাথর ও ময়লা ফেলে দিন।
২. এবার একটি বড় পাত্রে বা মেঝেতে পরিমাণমতো
শুকানো মাটি, জৈব সার, কোকপিট ও বালি একসাথে ঢালুন। এর সাথে নিম খৈল ও সামান্য কাঠের
ছাই/ফাঙ্গিসাইড যোগ করুন।
৩. বেলচা বা হাতের সাহায্যে পুরো মিশ্রণটি
খুব ভালো করে ওলট-পালট করে মিশিয়ে নিন, যেন সার ও মাটি সব জায়গায় সমানভাবে ছড়ায়।
৪. মিশ্রণটিতে সামান্য পানি ছিটিয়ে মাটি
জাস্ট একটু আর্দ্র (ভিজে কিন্তু কাদা নয়) করে নিন। এই মেশানো মাটিতে সাথে সাথেই গাছ
লাগাবেন না। কোনো বস্তায় বা টবে ভরে ৭ থেকে ১০ দিন ছায়ায় রেখে দিন। একে মাটি 'ট্রিটমেন্ট'
করা বলে। এর ফলে সার ও মাটি একসাথে অ্যাক্টিভেট হয়ে গাছ লাগানোর জন্য ১০০% উপযুক্ত
হবে।
গাছের যত্নের বিশেষ নিয়ম: শীতকালীন গাছগুলো
সাধারণত বেশ সংবেদনশীল হয়। গাছের সঠিক বৃদ্ধি এবং প্রচুর ফুল-ফল পাওয়ার জন্য নিয়মিত
পরিচর্যা এবং কিছু বিশেষ কৌশল মেনে চলা জরুরি।
- গাছ লাগানোর আগে প্রতিটি টবের নিচের ছিদ্র
পরীক্ষা করে পরিষ্কার করুন। পুরোনো কোনো টবে নতুন গাছ লাগাতে চাইলে টবটি ভালোভাবে পরিষ্কার
করে শুকিয়ে নিন। আগে রোগাক্রান্ত গাছ থাকলে টব পরিষ্কারের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন
করুন।
টবের নিচে পানি বের হওয়ার জন্য ছিদ্র থাকা
জরুরি। শুধু পানি নিষ্কাশনের জন্য টবের তলায় পাথর বা ইটের টুকরোর মোটা স্তর দিলেই সমস্যার
সমাধান হয় না। বরং উপযুক্ত মিশ্রণের মাটি এবং খোলা নিষ্কাশন ছিদ্র থাকাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- গাছে পানি দেওয়ার কিছু ‘গোল্ডেন রুল’ রয়েছে। গরম ও বর্ষার
সময়ে যে নিয়মে গাছে পানি দিতেন, শীতেও সেই নিয়ম অনুসরণ করা ঠিক হবে না। শীতকালে বাতাসে
আর্দ্রতা বেশি থাকায় মাটির ওপরের অংশ শুকিয়ে গেলেও ভেতরে ভেজা থাকতে পারে। তাই আঙুল
দিয়ে মাটির ১ ইঞ্চি গভীর পর্যন্ত চেপে দেখুন। মাটি শুকনো মনে হলেই তখন পানি দিন। তবে
বীজ ও সদ্য লাগানো চারার মাটি যেন পুরোপুরি শুকিয়ে না যায় সেদিকেও লক্ষ্য রাখুন। ঘরের
স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করুন।
সবসময় সকালে (রোদ ওঠার আগে বা রোদ ওঠার মুখে)
পানি দিন। বিকেলে বা রাতে পানি দিলে তাতে টবের মাটি সারারাত ভেজা থাকে, যা ছত্রাক ও
গোড়া পচা রোগের প্রধান কারণ।
শীতকালীন ফুল বিশেষ করে পিটুনিয়া, গাঁদা
বা চন্দ্রমল্লিকা ফুলের পাতায় ও কুঁড়িতে সরাসরি পানি দিয়ে স্প্রে করবেন না। এতে ফুল
দ্রুত পচে নষ্ট হয়ে যায়।
- শীতে গাছ বিশ্রামে থাকে, তাই ভারী রাসায়নিক
সার এড়িয়ে মাসে একবার জৈব সার (কম্পোস্ট/ভার্মি কম্পোস্ট) দেওয়াই যথেষ্ট । এছাড়াও, সরিষার খৈল পচা, কলা খোসা ভেজানো পানি দিতে পারেন।
তবে এগুলোর সাথে আরো অতিরিক্ত পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছে প্রয়োগ করা ভালো। কড়া রোদে
বা একদম শুকনো মাটিতে কখনো তরল সার দেবেন না।
- গাছের গোড়ায় শুকনো খড়, পাতা বা নারকেলের
ছোবড়া দিয়ে ঢেকে দিন। একে মালচিং বলে। এটি মাটির আর্দ্রতা ও উষ্ণতা ধরে রাখে ।
- শীতে কুয়াশা ও আর্দ্রতার কারণে জাব পোকা,
সাদা মাছি এবং ছত্রাকের আক্রমণ বেশি হয়। রোগ হওয়ার অপেক্ষা না করে প্রতি ৭ থেকে ১০
দিন পর পর ১ লিটার ইষদুষ্ণ গরম পানিতে ১ চামচ নিম তেল ও কয়েক ফোঁটা লিকুইড ডিশ ওয়াশ
ভালো করে মিশিয়ে পুরো গাছে স্প্রে করুন।
এছাড়াও, মাটির উপরিভাগে সামান্য কাঠের ছাই
ছিটিয়ে দিলে পিঁপড়ে ও শামুকের উপদ্রব কমে এবং গাছ ছত্রাক থেকে রক্ষা পায়।
- ধুলাবালি জমলে নরম কাপড় দিয়ে মুছে দিন
এবং শুকনো পাতা বা মৃত ডাল নিয়মিত ছেঁটে ফেলুন।
- শীতের গাছগুলোর দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা সরাসরি
সূর্যের আলো প্রয়োজন। তাই বারান্দার সবচেয়ে রোদযুক্ত স্থানে এদের রাখুন। যখন অতিরিক্ত
ঘন কুয়াশা ও তীব্র ঠান্ডা (শৈত্যপ্রবাহ) পড়ে, তখন রাতে পারলে গাছগুলোকে বারান্দার ভেতরের
দিকে বা শেডের নিচে রাখুন।
শীতের বারান্দার বাগান এক দিনে তৈরি হয় না।
এর প্রস্তুতি শুরু হয় পুরোনো গাছের যত্ন, টব পরিষ্কার, মাটি তৈরি এবং আলো-বাতাসের ব্যবস্থা
ঠিক করার মধ্য দিয়ে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ফুল ও সবজির গাছ যোগ করলে অল্প জায়গাতেও
গড়ে উঠতে পারে সুন্দর একটি বাগান।
শীত আসার আগেই তাই বারান্দার দিকে একটু মনোযোগ
দিন। আজকের ছোট ছোট প্রস্তুতিই শীতের সকালে আপনার বারান্দাকে করে তুলতে পারে আরও সবুজ,
সতেজ ও প্রাণবন্ত।
ঢাকা/টিএ